নতুন পৌর সড়কের অবস্থান নির্ধারণে বিবেচ্য বিষয়সমূহ

0
1

নতুন পৌর সড়কের অবস্থান নির্ধারণে নিম্নের বিষয়গুলাে বিবেচনা করতে হয়-

(১) শহরের গুরুত্বপূর্ণ অংশে (যেখানে যানজট হতে পারে) সম্ভব হলে যানবাহনকে ‘বাই পাস’ (বিকল্প সড়কে) সড়কে চলাচলের ব্যবস্থা করা।

(২) যানবাহনকে যদি বাইপাস সড়কে চলাচল করানাে সম্ভব না হয় তবে ভূনিম্নস্থ সড়ক বা ফ্লাই ওভার নির্মাণ করতে হয়।

(৩) ব্যস্ত সড়কে রােড সেগরিগেশনের ব্যবস্থা করা। (পদযাত্রী, রিকসা, সাইকেল, বাস, জীপ ইত্যাদিকে অর্থাৎ হালকা ও ভারী যানবাহনকে প্রত্যেকের নিজস্ব ট্রেক ব্যবহার করতে হবে।

(8) ব্যস্ত সড়কে একমুখী যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা রাখা।

(৫) প্রধান সড়কের সমান্তরালে সড়ক নির্মাণ করা এবং বিশেষ স্থানে বিশেষ করে ইন্টারসেকশনে উভয়ের সংযােগ দেয়া। এতে প্রধান সড়কে সামনে পড়া’ (Frontage access) প্রতিরােধ করা যাবে।।

(৬) পাবলিক বিল্ডিং এর নিকটে যানবাহনের চাপ পড়ে বিধায় সড়ক হতে দূরে যানবাহন পার্কিং এর সুযােগ করে দেয়া।

(৭) প্রধান সড়কের সাথে আড়াআড়ি সড়কের সন্ধিস্থলে গ্রেড সেপারেশনের ব্যবস্থা করা।

(৮) প্রধান সড়কের সাথে আড়াআড়ি সড়ক লিংক সড়কে সংযােগ দেয়া।

(৯) যে ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বা স্থান সংকুলানে প্রতিবন্ধকতার কারণে গ্রেড সেপারেশন দেয়া সম্ভব না হয়, সে ক্ষেত্রে পদযাত্রী পারাপার ও ঘূর্ণায়মান ইন্টার সেকশনে নিয়মতান্ত্রিক যানবাহন চলাচলের উত্তম ব্যবস্থা করা।

(১০) আলােক সংকেতে যানবাহনের নিয়মতান্ত্রিক চলাচলের ব্যবস্থা করা।

(১১) প্রত্যেকটি ইন্টারসেকশনে পর্যাপ্ত দৃশ্যমান দূরত্ব বজায় রাখা।

(১২) জনসমাগমের স্থান (স্কুল, কলেজ, খেলার মাঠ) সড়ক হতে দূরে নির্ধারণ করা এবং যাতায়াতের রাস্তা রাখা।

(১৩) সড়কের নাম, সড়ক সংকেত (Road sign) ইত্যাদি সড়কের পার্শ্বস্থ উন্মুক্ত স্থানে স্থাপন করা। (এতে যানবাহন এগুলাে হতে উপকৃত হবে)।

(১৪) যানবাহন থামানাের উপযুক্ত স্থান রাখতে হবে।

(১৫) বিজ্ঞাপন ফলকের স্থান সড়ক হতে সন্তোষজনক দূরে রাখা। (এতে গাড়ী চালকের মনােযােগ বিঘ্নিত হবে না।)

(১৬) সড়কে পর্যাপ্ত আলাের ব্যবস্থা রাখা। এতে হেড লাইটের আলাে ছাড়াই গাড়ী চালানাে সম্ভব হবে।)

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

five × 1 =