সাটারিং তৈরি করার সময় প্রয়োজনীয় বিষয় ও সতকর্তা

0
912
  • নির্মাণ কাজে সাটারিং খুবই
    গুরুত্বপূর্ণ।

  • আমাদের দেশে দুই ধরণের সাটার
    পাওয়া যায়। কাঠ বা বাঁশের এবং স্টিল সাটারিং।

  • বার বার ব্যবহৃত এই সব
    সাটারিং এর ভারবহন ক্ষমতা কমে যায় এবং বাঁশের ঠেকনেগুলো দুর্বল হয়ে যায়,ফলে ঢালাইয়ের
    মসলার ওজনের সাটারিং ভেঙ্গে পড়ে যেতে পারে।

  • বাঁশগুলো বাঁধন হওয় চলবে না।

  • সাটারিং এর উর্ধ্বমূখী
    সাপোর্ট হিসেবে যে বাঁশ  ব্যবহৃত হয় তা
    সাধারণত দশ ফুট হয় না । এজন্য বাঁশের নিচে কাঠ বা ইট দিয়ে উচু করা হয় যা ঠিক
    নয়,এতে সাটারিং দুর্বল হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে এই ইট বা কাঠ সরে যায় ফলে বাঁশ
    ভারবহন ক্ষমতা হারায়।

  • সাটারিং  পানিরোধী হয় না ফলে ঢালাইয়ের  মসলা থেকে পানি চুইয়ে বেরিয়ে যায়,যার দরুন
    কংক্রিট শক্ত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পানি কম পড়ে।

  • ঢালাই এর সময় সাটারিং এর উপড়
    পলিথিন বিছিয়ে নেয়া হয় যাতে পানিটা বের হতে না পারে।এই পলিথিন ব্যবহার না করে
    কাঠের উপড় প্লেনশিট দিয়ে তার উপড় চাটাই ব্যবহার করা হয়।

  • ছাদের সাটারিং কমপক্ষে ২১
    দিন রাখতে হয়।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

twelve + nine =